ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে পৌর এলাকার আধার কোটা সাবেক কাউন্সিলর সামাদ খানের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদার ইমামদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি অবহেলা দেখিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদার বলেন, বোয়ালমারী পৌরসভার ৬৬টি মসজিদের ইমামদের জন্য কোনো সরকারি বরাদ্দ নেই। এরপরও মানবিক দিক বিবেচনায় পৌরসভার ত্রাণ তহবিল থেকে গত বছর ৬০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরও একই পরিমাণ অর্থের একটি চেক মাওলানা হুসাইন আহমেদের নামে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওই চেক গ্রহণের সময় মাস্টাররোল (প্রাপকের তালিকা) দিতে বলা হলে মাওলানা হুসাইন আহমেদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া অর্থ বিতরণ করলে অডিট জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক কাউন্সিলর সামাদ খান, মাওলানা হুসাইন আহমেদ, মাওলানা আলি প্রমুখ।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে পৌর এলাকার আধার কোটা সাবেক কাউন্সিলর সামাদ খানের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদার ইমামদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি অবহেলা দেখিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পৌরসভার সচিব মনিরুজ্জামান শিকদার বলেন, বোয়ালমারী পৌরসভার ৬৬টি মসজিদের ইমামদের জন্য কোনো সরকারি বরাদ্দ নেই। এরপরও মানবিক দিক বিবেচনায় পৌরসভার ত্রাণ তহবিল থেকে গত বছর ৬০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরও একই পরিমাণ অর্থের একটি চেক মাওলানা হুসাইন আহমেদের নামে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওই চেক গ্রহণের সময় মাস্টাররোল (প্রাপকের তালিকা) দিতে বলা হলে মাওলানা হুসাইন আহমেদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া অর্থ বিতরণ করলে অডিট জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক কাউন্সিলর সামাদ খান, মাওলানা হুসাইন আহমেদ, মাওলানা আলি প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন