ঢাকা    শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
খোলা বার্তা

পাওনা টাকা পরিশোধের পরও ব্যবসায়ীকে অপহরণ, ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ!



পাওনা টাকা পরিশোধের পরও  ব্যবসায়ীকে অপহরণ, ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ!

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. ওমর আলী নামে এক ধান ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ঢাকার আশুলিয়ায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আলামিনের পাওনা ৩ লাখ টাকা আগেই স্থানীয় ইটভাটা মালিক ও মানবাধিকারকর্মী ফারুক হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হলেও ওমর আলীকে অপহরণ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ব্যবসায়িক কাজে নগদ ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ধান-চাল ব্যবসায়ী ওমর আলী। পরে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের আবুদিয়া গ্রামের সরকারবাড়ী বাজারের পাকা সড়কে পৌঁছালে আলামিনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ওমর আলীর অভিযোগ, অপহরণকারীরা তাঁর সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এরপর আরও ২ লাখ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তাঁকে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর ঢাকার আশুলিয়ায় নিয়ে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। এ সময় চোখে-মুখে, হাত ও পায়ে কিল-ঘুষি মারা এবং ছুরি দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হয় বলে তিনি জানান।

ওমর আলী বলেন, ‘আলামিনের পাওনা ৩ লাখ টাকা স্থানীয় ইটভাটা মালিক ও মানবাধিকারকর্মী ফারুক হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও আমাকে অপহরণ করা হয়। আমার সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়ার পর আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

এ ঘটনায় ওমর আলীর বড় ভাই মো. আমিনুল ইসলাম রায়গঞ্জ থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, অপহরণের পর ওমর আলীর মোবাইল ফোন থেকে তাঁর স্ত্রীর কাছে কল করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

মামলার ২ নম্বর আসামি মো. লোকমান হোসেনকে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ। এসআই জাফর আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আশুলিয়া থানা-পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘মামলার ২ নম্বর আসামি লোকমান হোসেনকে আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


পাওনা টাকা পরিশোধের পরও ব্যবসায়ীকে অপহরণ, ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ!

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. ওমর আলী নামে এক ধান ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ঢাকার আশুলিয়ায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আলামিনের পাওনা ৩ লাখ টাকা আগেই স্থানীয় ইটভাটা মালিক ও মানবাধিকারকর্মী ফারুক হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হলেও ওমর আলীকে অপহরণ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ব্যবসায়িক কাজে নগদ ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ধান-চাল ব্যবসায়ী ওমর আলী। পরে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের আবুদিয়া গ্রামের সরকারবাড়ী বাজারের পাকা সড়কে পৌঁছালে আলামিনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ওমর আলীর অভিযোগ, অপহরণকারীরা তাঁর সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এরপর আরও ২ লাখ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তাঁকে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর ঢাকার আশুলিয়ায় নিয়ে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। এ সময় চোখে-মুখে, হাত ও পায়ে কিল-ঘুষি মারা এবং ছুরি দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হয় বলে তিনি জানান।

ওমর আলী বলেন, ‘আলামিনের পাওনা ৩ লাখ টাকা স্থানীয় ইটভাটা মালিক ও মানবাধিকারকর্মী ফারুক হোসেনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও আমাকে অপহরণ করা হয়। আমার সঙ্গে থাকা ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়ার পর আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

এ ঘটনায় ওমর আলীর বড় ভাই মো. আমিনুল ইসলাম রায়গঞ্জ থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, অপহরণের পর ওমর আলীর মোবাইল ফোন থেকে তাঁর স্ত্রীর কাছে কল করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

মামলার ২ নম্বর আসামি মো. লোকমান হোসেনকে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ। এসআই জাফর আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আশুলিয়া থানা-পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘মামলার ২ নম্বর আসামি লোকমান হোসেনকে আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. একরামুল হক
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
প্রধান নির্বাহী : সাইদুল ইসলাম আবির।
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত