জুলাই অভ্যুত্থানে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে শহীদ হাফেজ সিয়াম হোসেন ও ইয়াহিয়া আলী হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আব্দুল আলীম মন্ডল এবং ভাতিজা জুবায়ের মন্ডলকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, শহীদ সিয়াম হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি রয়েছেন ৮৯ জন এবং অজ্ঞাতনামা আসামি ৫০০ থেকে ৭০০ জন। একইভাবে শহীদ ইয়াহিয়া আলী হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ৮৭ জন এবং অজ্ঞাত আসামি ৫০০ থেকে ৭০০ জন। দুটি মামলাই বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আব্দুল আলীম মন্ডল ও ভাতিজা জুবায়ের মন্ডলকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, তারা উভয়েই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ ও ৩ নম্বর আসামি ছিলেন।
সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ মন্ডল এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বেলকুচি-চৌহালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।
এ ঘটনায় শহীদ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, “শহীদ পরিবারের সদস্যরা কি ন্যায়বিচার পাবে না?” এবং “কোন প্রভাব বা নির্দেশনায় এজাহারভুক্ত আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হলো?”
সচেতন মহল এ ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থানে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে শহীদ হাফেজ সিয়াম হোসেন ও ইয়াহিয়া আলী হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আব্দুল আলীম মন্ডল এবং ভাতিজা জুবায়ের মন্ডলকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, শহীদ সিয়াম হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি রয়েছেন ৮৯ জন এবং অজ্ঞাতনামা আসামি ৫০০ থেকে ৭০০ জন। একইভাবে শহীদ ইয়াহিয়া আলী হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ৮৭ জন এবং অজ্ঞাত আসামি ৫০০ থেকে ৭০০ জন। দুটি মামলাই বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে আব্দুল আলীম মন্ডল ও ভাতিজা জুবায়ের মন্ডলকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, তারা উভয়েই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ ও ৩ নম্বর আসামি ছিলেন।
সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ মন্ডল এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বেলকুচি-চৌহালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।
এ ঘটনায় শহীদ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, “শহীদ পরিবারের সদস্যরা কি ন্যায়বিচার পাবে না?” এবং “কোন প্রভাব বা নির্দেশনায় এজাহারভুক্ত আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হলো?”
সচেতন মহল এ ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন