সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ৩ নম্বর ধুবিল ইউনিয়নে সড়কের দুই পাশে সুপারি গাছ লাগিয়ে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ। তাঁর উদ্যোগে খারিজা ঘুঘাট পূর্বপাড়া থেকে কৃষি মাঠের মধ্য দিয়ে খারিজা ঘুঘাট পশ্চিমপাড়া পাকা সড়কের সংযোগস্থল পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে।
স্থানীয় পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, সড়কের দুই পাশের পতিত জায়গার সঠিক ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ মেঠোপথের দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে সারিবদ্ধভাবে প্রায় ২ হাজার ২০০টি সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে। এতে সড়কটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠছে, তেমনি ভবিষ্যতে এসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
খারিজা ঘুঘাট পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক, শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা সুমা এবং পশ্চিমপাড়ার হাফেজ আলআমিন হোসেন ও আবু হানিফ বলেন, সড়কের পাশে গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে এসব গাছ থেকে ফলন পাওয়ার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে।
ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সড়কের দুই পাশে সুপারি গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ রক্ষা, পতিত জায়গার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ৩ নম্বর ধুবিল ইউনিয়নে সড়কের দুই পাশে সুপারি গাছ লাগিয়ে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ। তাঁর উদ্যোগে খারিজা ঘুঘাট পূর্বপাড়া থেকে কৃষি মাঠের মধ্য দিয়ে খারিজা ঘুঘাট পশ্চিমপাড়া পাকা সড়কের সংযোগস্থল পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে।
স্থানীয় পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, সড়কের দুই পাশের পতিত জায়গার সঠিক ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ মেঠোপথের দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে সারিবদ্ধভাবে প্রায় ২ হাজার ২০০টি সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে। এতে সড়কটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠছে, তেমনি ভবিষ্যতে এসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
খারিজা ঘুঘাট পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক, শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা সুমা এবং পশ্চিমপাড়ার হাফেজ আলআমিন হোসেন ও আবু হানিফ বলেন, সড়কের পাশে গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে এসব গাছ থেকে ফলন পাওয়ার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে।
ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সড়কের দুই পাশে সুপারি গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ রক্ষা, পতিত জায়গার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন