বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধে নিহত সুমন ও ইয়াছিন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
মানববন্ধনে নিহত দুজনের স্বজন, প্রতিবেশী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
নিহত সুমনের স্ত্রী রিমু ও ইয়াসিনের স্ত্রী সখী বেগম অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বামীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাহাদ ও রাব্বির ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগ এনে আওলাদ ও জাহিদুলের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন।
বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের দাবি জানান তাঁরা।
মানববন্ধনে ইয়াসিনের দুই শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। শিশুটির ভরণ-পোষণ ও সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান স্বজনেরা।
কর্মসূচি চলাকালে স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সারওয়ার পারভেজ মানবকণ্ঠকে জানান, বিক্ষোভকারীরা একটি মিছিল নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সেখান থেকে বের করে দেয়। পরে তারা বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের সরিয়ে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধে নিহত সুমন ও ইয়াছিন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
মানববন্ধনে নিহত দুজনের স্বজন, প্রতিবেশী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
নিহত সুমনের স্ত্রী রিমু ও ইয়াসিনের স্ত্রী সখী বেগম অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বামীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাহাদ ও রাব্বির ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগ এনে আওলাদ ও জাহিদুলের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন।
বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের দাবি জানান তাঁরা।
মানববন্ধনে ইয়াসিনের দুই শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। শিশুটির ভরণ-পোষণ ও সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান স্বজনেরা।
কর্মসূচি চলাকালে স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সারওয়ার পারভেজ মানবকণ্ঠকে জানান, বিক্ষোভকারীরা একটি মিছিল নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সেখান থেকে বের করে দেয়। পরে তারা বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের সরিয়ে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন