সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পরপর কয়েকদিনের ব্যবধানে সংঘটিত ডাকাতি ও চুরির তিনটি ঘটনায় এখনো কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে পৌর শহরসহ আশপাশের এলাকায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাতের নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
প্রথম ঘটনা ঘটে গত ১ জুলাই দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামে। অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক ও তাড়াশ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের বাড়িতে একদল মুখোশধারী ডাকাত প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামালসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।
এর কয়েকদিন পর ভাদাশ–তাড়াশ এলাকার ভাদাশ কবরস্থান হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক হুজুরের মোটরসাইকেল চুরি হয়। মোটরসাইকেলটির সন্ধান চেয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রচার চালানো হলেও এখনো সেটি উদ্ধার হয়নি।
সবশেষ গত ১৭ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে তাড়াশ পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সিদ্দিকুর রহমান রাজুর বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা আলমারি ভেঙে নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া পালিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের এক নারীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন টান দিয়ে ছিঁড়ে নেয়। চুরি হওয়া নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে একের পর এক এমন ঘটনায় মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রাত নামলেই অনেক এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে ভাদাশ এলাকায় সাম্প্রতিক এসব ঘটনার পর বাসিন্দারা রাত জেগে পাহারা দেওয়ার কথাও ভাবছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো চোর বা ডাকাত গ্রেপ্তার হয়নি। এতে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, “ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আশা করছি, দ্রুতই অগ্রগতি হবে।”
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল রাতের পুলিশি টহল বৃদ্ধি, সন্দেহভাজন অপরাধীদের নজরদারিতে আনা এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পরপর কয়েকদিনের ব্যবধানে সংঘটিত ডাকাতি ও চুরির তিনটি ঘটনায় এখনো কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে পৌর শহরসহ আশপাশের এলাকায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাতের নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
প্রথম ঘটনা ঘটে গত ১ জুলাই দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামে। অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক ও তাড়াশ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের বাড়িতে একদল মুখোশধারী ডাকাত প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামালসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।
এর কয়েকদিন পর ভাদাশ–তাড়াশ এলাকার ভাদাশ কবরস্থান হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক হুজুরের মোটরসাইকেল চুরি হয়। মোটরসাইকেলটির সন্ধান চেয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রচার চালানো হলেও এখনো সেটি উদ্ধার হয়নি।
সবশেষ গত ১৭ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে তাড়াশ পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সিদ্দিকুর রহমান রাজুর বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা আলমারি ভেঙে নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা এবং সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া পালিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের এক নারীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন টান দিয়ে ছিঁড়ে নেয়। চুরি হওয়া নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে একের পর এক এমন ঘটনায় মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রাত নামলেই অনেক এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে ভাদাশ এলাকায় সাম্প্রতিক এসব ঘটনার পর বাসিন্দারা রাত জেগে পাহারা দেওয়ার কথাও ভাবছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো চোর বা ডাকাত গ্রেপ্তার হয়নি। এতে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, “ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আশা করছি, দ্রুতই অগ্রগতি হবে।”
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল রাতের পুলিশি টহল বৃদ্ধি, সন্দেহভাজন অপরাধীদের নজরদারিতে আনা এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন