জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে সিরাজগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জাফর ইকবাল। একই সঙ্গে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (সহকারী অধ্যাপক) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ফজলুর রহমান।
শিক্ষা ক্ষেত্রে দক্ষ নেতৃত্ব, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ অধ্যক্ষ মোঃ জাফর ইকবাল এ সম্মাননা অর্জন করেন। তার নেতৃত্বে তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজ শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ফলাফলের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।
অপরদিকে অধ্যাপক ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান করে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। আধুনিক ও সময়োপযোগী পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের কারণে তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মানে ভূষিত হন।
এই সাফল্যে তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়েও সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে সিরাজগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জাফর ইকবাল। একই সঙ্গে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (সহকারী অধ্যাপক) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ফজলুর রহমান।
শিক্ষা ক্ষেত্রে দক্ষ নেতৃত্ব, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ অধ্যক্ষ মোঃ জাফর ইকবাল এ সম্মাননা অর্জন করেন। তার নেতৃত্বে তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজ শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ফলাফলের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।
অপরদিকে অধ্যাপক ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান করে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। আধুনিক ও সময়োপযোগী পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের কারণে তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মানে ভূষিত হন।
এই সাফল্যে তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়েও সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন