সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আব্দুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি টিটুসহ জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে রায়গঞ্জকে মাদকমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ধানগড়া সেন্টার পয়েন্টে জনতা ব্যাংক সংলগ্ন মিলন পাঠাগারের সামনে থেকে স্থানীয় ছাত্র-যুব সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোকাদ্দেস হোসাইন শোহান এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্টের সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রউফ শোভন তমাল সরকারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, আব্দুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ জড়িত সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তারা আরও বলেন, মাদকের কারণে সমাজে অপরাধ বাড়ছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করে রায়গঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই রাতে রায়গঞ্জ পৌর এলাকার ধানগড়া মধ্যপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে আব্দুর রহমান ও তাঁর ভাই হাছান শেখ গুরুতর আহত হন। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা টিটোন (৪৫) মাদকাসক্ত অবস্থায় তাঁদের বাড়ির সামনে এসে অশালীন আচরণ ও গালাগাল করলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে ধারালো অস্ত্রের হামলায় দুই ভাই আহত হন।
আব্দুর রহমানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। ১৭ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি রায়গঞ্জ পৌর এলাকার ফিরোজ আহমেদের ছেলে। আহত হাছান শেখ বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আব্দুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি টিটুসহ জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে রায়গঞ্জকে মাদকমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ধানগড়া সেন্টার পয়েন্টে জনতা ব্যাংক সংলগ্ন মিলন পাঠাগারের সামনে থেকে স্থানীয় ছাত্র-যুব সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোকাদ্দেস হোসাইন শোহান এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্টের সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রউফ শোভন তমাল সরকারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, আব্দুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ জড়িত সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তারা আরও বলেন, মাদকের কারণে সমাজে অপরাধ বাড়ছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করে রায়গঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই রাতে রায়গঞ্জ পৌর এলাকার ধানগড়া মধ্যপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে আব্দুর রহমান ও তাঁর ভাই হাছান শেখ গুরুতর আহত হন। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা টিটোন (৪৫) মাদকাসক্ত অবস্থায় তাঁদের বাড়ির সামনে এসে অশালীন আচরণ ও গালাগাল করলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে ধারালো অস্ত্রের হামলায় দুই ভাই আহত হন।
আব্দুর রহমানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। ১৭ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি রায়গঞ্জ পৌর এলাকার ফিরোজ আহমেদের ছেলে। আহত হাছান শেখ বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন