কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একটি বসতঘর থেকে চায়না রাইফেলের গুলি ও শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক অস্ত্র কারিগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঈদগড় ইউনিয়নের পানিস্যাঘোনা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এবং রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়ার তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১১টার পর রামু থানা ও ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্প থেকে পৃথকভাবে রওনা হয়ে পুলিশ সদস্যরা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছান। পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বসতঘরটি চারদিক থেকে ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে ওই বসতঘরের ভেতরে ধানের বস্তার মধ্যে লুকানো অবস্থায় ১০ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ এবং ৩টি শর্টগানের খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পানিস্যাঘোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শহর আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ প্রকাশ কালু চৌকিদার (৩৬)। তিনি উদ্ধারকৃত গুলি ও কার্তুজ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের দাবি, নুর মোহাম্মদ একজন দক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর এবং দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একটি বসতঘর থেকে চায়না রাইফেলের গুলি ও শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক অস্ত্র কারিগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঈদগড় ইউনিয়নের পানিস্যাঘোনা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এবং রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়ার তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১১টার পর রামু থানা ও ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্প থেকে পৃথকভাবে রওনা হয়ে পুলিশ সদস্যরা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছান। পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বসতঘরটি চারদিক থেকে ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে ওই বসতঘরের ভেতরে ধানের বস্তার মধ্যে লুকানো অবস্থায় ১০ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ এবং ৩টি শর্টগানের খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পানিস্যাঘোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শহর আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ প্রকাশ কালু চৌকিদার (৩৬)। তিনি উদ্ধারকৃত গুলি ও কার্তুজ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের দাবি, নুর মোহাম্মদ একজন দক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর এবং দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন