ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
খোলা বার্তা

৬ মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স খুলে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা



৬ মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স খুলে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স প্রায় ছয় মাস পর খুলে পাওয়া গেছে ৪৩ বস্তা টাকা। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে বস্তাভর্তি টাকা মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গণনার কাজ শুরু করা হয়।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদ মাদ্রাসার ১০৬ জন ছাত্র, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা, পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৯ জন কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪০ জন পুলিশ সদস্য, ৮ জন র‍্যাব সদস্য এবং ২০ জন আনসার সদস্য।


দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। সে সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরাও পাওয়া যায়।


জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে প্রাপ্ত ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, দানের অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষ এবং জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


৬ মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স খুলে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স প্রায় ছয় মাস পর খুলে পাওয়া গেছে ৪৩ বস্তা টাকা। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে বস্তাভর্তি টাকা মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গণনার কাজ শুরু করা হয়।

টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদ মাদ্রাসার ১০৬ জন ছাত্র, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা, পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৯ জন কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪০ জন পুলিশ সদস্য, ৮ জন র‍্যাব সদস্য এবং ২০ জন আনসার সদস্য।


দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। সে সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরাও পাওয়া যায়।


জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে প্রাপ্ত ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, দানের অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষ এবং জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. একরামুল হক
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
প্রধান নির্বাহী : সাইদুল ইসলাম আবির।
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত