বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবর জিয়ারত করতে নেতা–কর্মীদের ঢল নেমেছে।
২১ নভেম্বর দিবাগত রাত থেকে ২২ নভেম্বর বিকাল পর্যন্ত রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, জিয়া মঞ্চ, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভিড় করেন। তারা শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং ফাতেহা পাঠ করেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া রাঙ্গুনিয়ার কাদের নগরে তাঁর বাসভবন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় তাঁর দুই সন্তান ফয়েজ কাদের চৌধুরী ও হুমাম কাদের চৌধুরীসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া সহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে তিনি আপোষহীন ছিলেন এবং আধিপত্যবাদবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তাঁর জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।
এক বক্তা অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী সরকার ভারতবিরোধী মনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের ‘ফরমায়েশি রায়ের’ মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকর করেছে, যা দেশপ্রেমিক জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ও সাকা চৌধুরীর ছোট ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী সভায় বলেন,
“আমার বাবাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আমাকে গুম করে নির্যাতন চালানো হয়েছিল। কিন্তু রাঙ্গুনিয়াবাসি আমাদের পাশে ছিল—এই ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়। এবারের নির্বাচন সুশাসন ও মানবাধিকারের নির্বাচন। দলাদলি ভুলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।”
সভা শেষে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবু নগরীর পরিচালনায় শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মুনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়ের পর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবর জিয়ারত করতে নেতা–কর্মীদের ঢল নেমেছে।
২১ নভেম্বর দিবাগত রাত থেকে ২২ নভেম্বর বিকাল পর্যন্ত রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, জিয়া মঞ্চ, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভিড় করেন। তারা শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং ফাতেহা পাঠ করেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে কুরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া রাঙ্গুনিয়ার কাদের নগরে তাঁর বাসভবন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় তাঁর দুই সন্তান ফয়েজ কাদের চৌধুরী ও হুমাম কাদের চৌধুরীসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া সহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে তিনি আপোষহীন ছিলেন এবং আধিপত্যবাদবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তাঁর জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।
এক বক্তা অভিযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী সরকার ভারতবিরোধী মনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের ‘ফরমায়েশি রায়ের’ মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকর করেছে, যা দেশপ্রেমিক জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ও সাকা চৌধুরীর ছোট ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী সভায় বলেন,
“আমার বাবাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আমাকে গুম করে নির্যাতন চালানো হয়েছিল। কিন্তু রাঙ্গুনিয়াবাসি আমাদের পাশে ছিল—এই ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়। এবারের নির্বাচন সুশাসন ও মানবাধিকারের নির্বাচন। দলাদলি ভুলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।”
সভা শেষে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবু নগরীর পরিচালনায় শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মুনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়ের পর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন