মরণব্যাধি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন কাটাচ্ছেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম।
চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে যখন পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে, তখন তার পাশে দাঁড়িয়েছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে ইউএনও রেজওয়ানা আফরিন সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারি তহবিল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা সিরাজুল ইসলামের হাতে তুলে দেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দ্রুত রোগীর বাড়িতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেন, যাতে তার চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যায়।
সিরাজুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন তিনি। অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনের পথও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সরকারি সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমি বাঁচতে চাই। আল্লাহ আমাকে হায়াত দিলে আবার পরিবারের জন্য কাজ করতে চাই। ইউএনও ম্যাডাম আমার বাড়িতে এসে খোঁজ নিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। এজন্য আমি তাঁর এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অসহায় মানুষের দুঃসময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সিরাজুল ইসলামের উন্নত চিকিৎসার পথ আরও সহজ হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
মরণব্যাধি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন কাটাচ্ছেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম।
চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে যখন পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে, তখন তার পাশে দাঁড়িয়েছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে ইউএনও রেজওয়ানা আফরিন সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারি তহবিল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা সিরাজুল ইসলামের হাতে তুলে দেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দ্রুত রোগীর বাড়িতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেন, যাতে তার চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যায়।
সিরাজুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন তিনি। অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনের পথও বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সরকারি সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমি বাঁচতে চাই। আল্লাহ আমাকে হায়াত দিলে আবার পরিবারের জন্য কাজ করতে চাই। ইউএনও ম্যাডাম আমার বাড়িতে এসে খোঁজ নিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। এজন্য আমি তাঁর এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অসহায় মানুষের দুঃসময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সিরাজুল ইসলামের উন্নত চিকিৎসার পথ আরও সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন