জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) এক বছরের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় অন্ধকারে ডুবে গেছে।
১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৩ টাকা বকেয়া থাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গত রোববার সকাল ১০টার পর প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে পুরো ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এবং আবাসিক শিক্ষার্থীরা একে একে হোস্টেল ছাড়তে শুরু করেছেন।
আইএইচটি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অর্থনৈতিক কোড চালু হয়নি। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাদ্দের ওপর নির্ভর করে ব্যয়ভার পরিচালিত হলেও গত এক বছর ধরে সেই বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিল পরিশোধ না হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বারবার তাগাদা দিলেও সেটি পরিশোধ সম্ভব হয়নি।
ফার্মেসি ও ল্যাব টেকনোলজি ট্রেডে মোট ৪৫০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এর মধ্যে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী দুটি হোস্টেলে থাকেন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। বহুদিন ধরে সোলার সিস্টেম অচল হয়ে থাকায় রাতের বেলা পুরোটাই অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে আইএইচটি কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থী আখতারুজ্জামান বলেন, “আমরা ভবিষ্যৎ গড়ার আশায় এখানে এসেছি। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিকভাবে থাকা–খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। দিনরাত অন্ধকারে নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করে আমাদের কষ্ট লাঘব করা হোক।”
স্থানীয় সচেতন মহল, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত বরাদ্দ প্রদান এবং বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
আইএইচটির অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুস মণ্ডল বলেন, “অর্থনৈতিক কোড না থাকায় ব্যয়ভার সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। বরাদ্দ বন্ধ থাকায় বিল পরিশোধ সম্ভব হয়নি। আমরা বারবার তাগাদা পেয়েছি, কিন্তু বরাদ্দ ছাড়া কিছুই করার ছিল না।”
অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ গ্রহণ না করলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) এক বছরের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় অন্ধকারে ডুবে গেছে।
১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৩ টাকা বকেয়া থাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গত রোববার সকাল ১০টার পর প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে পুরো ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এবং আবাসিক শিক্ষার্থীরা একে একে হোস্টেল ছাড়তে শুরু করেছেন।
আইএইচটি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অর্থনৈতিক কোড চালু হয়নি। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাদ্দের ওপর নির্ভর করে ব্যয়ভার পরিচালিত হলেও গত এক বছর ধরে সেই বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিল পরিশোধ না হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বারবার তাগাদা দিলেও সেটি পরিশোধ সম্ভব হয়নি।
ফার্মেসি ও ল্যাব টেকনোলজি ট্রেডে মোট ৪৫০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এর মধ্যে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী দুটি হোস্টেলে থাকেন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। বহুদিন ধরে সোলার সিস্টেম অচল হয়ে থাকায় রাতের বেলা পুরোটাই অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে আইএইচটি কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থী আখতারুজ্জামান বলেন, “আমরা ভবিষ্যৎ গড়ার আশায় এখানে এসেছি। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিকভাবে থাকা–খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। দিনরাত অন্ধকারে নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করে আমাদের কষ্ট লাঘব করা হোক।”
স্থানীয় সচেতন মহল, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দ্রুত বরাদ্দ প্রদান এবং বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
আইএইচটির অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুস মণ্ডল বলেন, “অর্থনৈতিক কোড না থাকায় ব্যয়ভার সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। বরাদ্দ বন্ধ থাকায় বিল পরিশোধ সম্ভব হয়নি। আমরা বারবার তাগাদা পেয়েছি, কিন্তু বরাদ্দ ছাড়া কিছুই করার ছিল না।”
অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ গ্রহণ না করলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন