সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তানিয়া ইসলাম (২২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামে নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. শাহ পরানের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ করেছে পরিবারের সদস্যরা।
নিহত তানিয়া ইসলাম বিষমডাঙ্গা গ্রামের মো. ছোরহাব আলীর মেয়ে। তবে পরিবারের দেওয়া তথ্যে তার বয়স ২০ বছর বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, নিহত তানিয়ার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা আক্তার হোসেনের ছেলে মো. শাহ পরানের প্রায় চার বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা তাড়াশের বিষমডাঙ্গা গ্রামে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে নিহত তানিয়া ইসলাম ও তার স্বামী মো. শাহ পরান প্রতিদিনের মতো শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন তাদের শয়নকক্ষে তানিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে তাড়াশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তানিয়াকে তার স্বামী মো. শাহ পরান হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। তবে কীভাবে বা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তানিয়া ইসলাম (২২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামে নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. শাহ পরানের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ করেছে পরিবারের সদস্যরা।
নিহত তানিয়া ইসলাম বিষমডাঙ্গা গ্রামের মো. ছোরহাব আলীর মেয়ে। তবে পরিবারের দেওয়া তথ্যে তার বয়স ২০ বছর বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, নিহত তানিয়ার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা আক্তার হোসেনের ছেলে মো. শাহ পরানের প্রায় চার বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা তাড়াশের বিষমডাঙ্গা গ্রামে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে নিহত তানিয়া ইসলাম ও তার স্বামী মো. শাহ পরান প্রতিদিনের মতো শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন তাদের শয়নকক্ষে তানিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে তাড়াশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তানিয়াকে তার স্বামী মো. শাহ পরান হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। তবে কীভাবে বা কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন