টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নওগাঁর মান্দা উপজেলার ৯ যুবককে দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে তাঁদের মরদেহ পারিবারিক ও সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের রাজেন্দ্রবাটি, পাকুড়িয়া ও মশিদপুর গ্রাম।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজেন্দ্রবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন মাঠে ছয় যুবকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের মরদেহ স্থানীয় সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে সোমবার রাত ১১টার দিকে পৃথক জানাজা শেষে আরও তিনজনকে দাফন করা হয়।
নিহতদের শেষ বিদায় জানাতে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এ সময় পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, নওগাঁ জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন, জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার আব্দুর রাকিবসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা সবাই ফেরিওয়ালা ছিলেন। জীবিকার তাগিদে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার উত্তর নাজিরপুর কলোনিতে ভাড়া বাসায় থেকে ব্যবসা করতেন। ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে তাঁরা চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী একটি রডবোঝাই ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
সোমবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রাকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ১৫ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনই ছিলেন মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের তারেক জিয়া (২১), আব্দুল বারিক (২০), বাদশা মিয়া (৩০), সোহাগ হোসেন (২১), রবিউল ইসলাম (২৮), সাগর হোসেন (২০), পাকুড়িয়া গ্রামের মাইনুর রহমান (২৫) ও গিয়াস উদ্দিন (২৩), এবং মশিদপুর গ্রামের মইনুল ইসলাম (৩৫)।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নওগাঁ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দাফনের জন্য আরও ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নওগাঁর মান্দা উপজেলার ৯ যুবককে দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে তাঁদের মরদেহ পারিবারিক ও সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের রাজেন্দ্রবাটি, পাকুড়িয়া ও মশিদপুর গ্রাম।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজেন্দ্রবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন মাঠে ছয় যুবকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের মরদেহ স্থানীয় সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে সোমবার রাত ১১টার দিকে পৃথক জানাজা শেষে আরও তিনজনকে দাফন করা হয়।
নিহতদের শেষ বিদায় জানাতে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এ সময় পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, নওগাঁ জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন, জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার আব্দুর রাকিবসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা সবাই ফেরিওয়ালা ছিলেন। জীবিকার তাগিদে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার উত্তর নাজিরপুর কলোনিতে ভাড়া বাসায় থেকে ব্যবসা করতেন। ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে তাঁরা চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী একটি রডবোঝাই ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
সোমবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রাকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ১৫ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনই ছিলেন মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের তারেক জিয়া (২১), আব্দুল বারিক (২০), বাদশা মিয়া (৩০), সোহাগ হোসেন (২১), রবিউল ইসলাম (২৮), সাগর হোসেন (২০), পাকুড়িয়া গ্রামের মাইনুর রহমান (২৫) ও গিয়াস উদ্দিন (২৩), এবং মশিদপুর গ্রামের মইনুল ইসলাম (৩৫)।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নওগাঁ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দাফনের জন্য আরও ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন