ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হানাতুন নেছা কেয়া নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত কেয়া ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায়। লেখাপড়ার সুবিধার্থে সে ঠাকুরগাঁও সদর পৌর শহরের হাজীপাড়া এলাকায় একটি মেসে বসবাস করত।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে মেসের নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। এ ঘটনায় সহপাঠী, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হানাতুন নেছা কেয়া নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত কেয়া ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায়। লেখাপড়ার সুবিধার্থে সে ঠাকুরগাঁও সদর পৌর শহরের হাজীপাড়া এলাকায় একটি মেসে বসবাস করত।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে মেসের নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। এ ঘটনায় সহপাঠী, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন