সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ধারাবাহিক যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম দাবি করেছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে তাড়াশ উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘এলাকার সকল ছাত্র-ছাত্রী’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযুক্ত শিক্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। বক্তব্য দেন পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস, সিরাজগঞ্জ জেলা হিন্দু ছাত্র মহাসংঘের সাবেক সভাপতি অনন্ত কুমার মাহাতো, বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী সৃষ্টি রানী মাহাতো, আম্বিয়া খাতুন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর কাকা অন্তর কুমার মাহাতো, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুশীল কুমার মাহাতোসহ অনেকে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম, সহকারী শিক্ষক জহুরুল ইসলাম খোকনসহ চারজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের হয়রানি করে আসছেন। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ জুন তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন, তাড়াশ থানা পুলিশ ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের নারী তদন্ত টিমের সমন্বয়ে একটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থী সরাসরি তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।
তদন্ত কমিটি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা জানতে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে।
এ বিষয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস বলেন, “আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের নামে যদি বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বা অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।”
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ধারাবাহিক যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম দাবি করেছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে তাড়াশ উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘এলাকার সকল ছাত্র-ছাত্রী’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযুক্ত শিক্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। বক্তব্য দেন পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস, সিরাজগঞ্জ জেলা হিন্দু ছাত্র মহাসংঘের সাবেক সভাপতি অনন্ত কুমার মাহাতো, বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী সৃষ্টি রানী মাহাতো, আম্বিয়া খাতুন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর কাকা অন্তর কুমার মাহাতো, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুশীল কুমার মাহাতোসহ অনেকে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, বিষমডাঙা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম, সহকারী শিক্ষক জহুরুল ইসলাম খোকনসহ চারজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের হয়রানি করে আসছেন। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ জুন তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন, তাড়াশ থানা পুলিশ ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের নারী তদন্ত টিমের সমন্বয়ে একটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থী সরাসরি তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।
তদন্ত কমিটি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা জানতে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে।
এ বিষয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস বলেন, “আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের নামে যদি বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বা অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।”
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন