পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিন ওরফে সবুজ খাঁ’র বিরুদ্ধে ল্যাব না থাকলেও ফি আদায়, বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবইয়ের জন্য অর্থ গ্রহণ এবং ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে সায়েন্স ল্যাব ও কম্পিউটার ল্যাব না থাকলেও প্রতি তিন মাস পরপর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সায়েন্স ল্যাব ফি বাবদ ৮৫০ টাকা এবং কম্পিউটার ল্যাব ফি বাবদ ১৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এসব অর্থ আদায়ের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের কোনো রসিদ বা মানি রিসিভ দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘অ্যাডমিশন চার্জ’ নামে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, টাকা না দিলে বই দেওয়া হয়নি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখিয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার নামে শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী সরকারি বিএড কলেজে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। তবে একই সময়ে বিতর্কিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড পাসের সনদ দেখিয়ে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে।”
অভিযোগ প্রসঙ্গে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান,“অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিন ওরফে সবুজ খাঁ’র বিরুদ্ধে ল্যাব না থাকলেও ফি আদায়, বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবইয়ের জন্য অর্থ গ্রহণ এবং ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে সায়েন্স ল্যাব ও কম্পিউটার ল্যাব না থাকলেও প্রতি তিন মাস পরপর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সায়েন্স ল্যাব ফি বাবদ ৮৫০ টাকা এবং কম্পিউটার ল্যাব ফি বাবদ ১৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এসব অর্থ আদায়ের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের কোনো রসিদ বা মানি রিসিভ দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘অ্যাডমিশন চার্জ’ নামে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, টাকা না দিলে বই দেওয়া হয়নি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখিয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার নামে শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী সরকারি বিএড কলেজে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। তবে একই সময়ে বিতর্কিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড পাসের সনদ দেখিয়ে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কে এম নাসির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে।”
অভিযোগ প্রসঙ্গে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান,“অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন