পীরগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি নজমুল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।জানা গেছে, গত ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ চারজনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে সন্দেহ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম ও তার ছেলে সারোয়ার নুর লিমন।এ ঘটনায় নজমুল হুদা মিঠু অভিযোগ করে বলেন, “হামিদুল ইসলাম ও তার ছেলে কোনোদিন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাদের নাম কোনো দলীয় তালিকায়ও নেই।” তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত আক্রোশে থানার ওসি আরশেদুল হক তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বানিয়ে গ্রেপ্তার করেছেন।পরদিন (১২ নভেম্বর) বুধবার থানায় আটকের প্রতিবাদ জানাতে গেলে নজমুল হুদা মিঠুর সাথে ওসি আরশেদুল হকের তর্ক হয়। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওর কিছু অংশ বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন যুবদল নেতারা।পীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেজবাউল পারভেজ সূর্য বলেন, “মিঠু ভাই বলেছিলেন, ৫ আগস্টের পর কয়েকদিন আমরা থানা পাহারা দিয়েছিলাম যাতে সাধারণ মানুষ উত্তেজনায় থানা জ্বালিয়ে না দেয়। কিন্তু সেসব কথাকে অন্যভাবে প্রচার করা হচ্ছে।”স্থানীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, একটি মহল রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে নজমুল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং এতে থানার ওসির প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।এ বিষয়ে যুবদল সভাপতি নজমুল হুদা মিঠু বলেন,“আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওটি বিকৃত করে আমাকে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। আমি ওসি আরশেদুল হকের অপসারণ দাবি করছি।”অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে রানীশংকৈল থানার ওসি আরশেদুল হক বলেন,“তারা আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে চাপ দিয়েছিল। ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন হুমকি দেয়। সেই কারণে আমরা একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।”পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য ভিন্ন হলেও ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।